চন্দনগরের জন্মকথা
বানিজ্য,শিল্প,সাহিত্য,সংস্কৃতি পুরনো ঐতিহ্যে ভরা চন্দননগর শহর, তবে এর আসল পরিচয় ফরাসি উপনিবেশ হিসাবে। আজ আমাদের আলোচনা এই চন্দননগরের ইতিহাস ও জন্মকথা নিয়ে।
চন্দননগেরর স্থাপনা - ১৬৭৩-৭৪ খ্রি ঃ শহরের উত্তর প্রান্তে বোড় কিষনপুর নামক অঞ্চলে প্লেসি নামক এক ব্যাক্তি প্রথম একখণ্ড প্রায় ১০ আরপাঁ ( ফ্রান্সের জমির এক প্রকার মাপ,এক আরপাঁ প্রায় তিন বিঘার সমান ) জমি ৪০১ টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেন।
ফরাসি কোম্পানির প্রথম অধিনায়ক মঁসিয়ে দোলান্দ মোঘল বাদশাহ ঔরঙ্গজেবের কাছ থেকে ১৬৮৮ খ্রি ঃ ৪০০০ টাকা মুদ্রা বিনিময়ে চন্দননগরের কুঠি স্থাপন এবং তথাকার মালিকত্ব গ্রহন করেন ।
চন্দননগরের নামকরন - গঙ্গাবক্ষ থেকে ধনূকাকৃতি চাঁদের ন্যায় শহরের আকৃতি থাকায় চন্দ্র থেকে এর নাম চন্দননগর এবং তা ছাড়াও চন্দন কাঠের ব্যাবসার প্রচুরতা হওয়ায় চন্দননগর নামের উৎপত্তি হয় ।ইংরাজি ১৮৯৫ খ্রিঃ কবি বিপ্রদাস রচিত মনসা মঙ্গল ও কবিকঙ্কন চণ্ডী প্রভৄৃতিতে কোন কোন স্থানের উল্লেখ আছে তবে সমস্ত পল্লীকে একত্রিত করে চন্দননগর নাম প্রথম পাওয়া যায় ১৬৯৬ খ্রিঃ ২১ শে নভেম্বর এখানকার কতৃপক্ষ মারতিন,দোলান্দ, এবং পেলএ স্বাক্ষরিত তখনকার প্যারিস্থ ডিরেক্টরকে লিখিত এক পত্রে ।
চন্দননগরের প্রথম দূর্গ - ১৬৯৬-৯৭ খ্রিঃ চন্দননগরের সুপ্রসিদ্ধ্য আরলাঁ দূর্গের স্থাপনা হয় । ইহা মধ্যস্থলেই ছিল এবং হুগলীর ওলন্দাজ দূর্গ ও কলিকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গর থেকেও অধিক মজবুত ও জমকালো ছিল ।
ব্রিটিশদের চন্দননগর আক্রমন - ১৭৫৭ খ্রিঃ ইংরেজদের সাথে ফরাসিদের যুদ্ধ হয় এবং চন্দননগর ব্রিটিশদের হস্তগত হয় ।এবং লর্ড ক্লাইভ এর নির্দেশে লুটপাট স্থাপত্য ভাঙ্গার কাজ হয় এবং দূর্গের তলদেশ পর্যন্ত তুলেদেওয়ার আদেশ দেওয়া হয় ।
চন্দননগর পুনঃউদ্ধার - চন্দননগর ১৭৬৭ খ্রিঃ অবধি ব্রিটিশ দের অধিকারে থাকে এবং ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চন্দননগর ফরাসিরা পুনঃউদ্ধার করেন, এবং ১৯৫০ খ্রিঃ ২রা মে পর্যন্ত ফরাসিদের অধিকারে থাকে।
তথ্য- হুগলী জেলার ইতিহাস ও বঙ্গসমাজ ।
ছবি- সংগ্রহীত (pics collected)
চন্দননগেরর স্থাপনা - ১৬৭৩-৭৪ খ্রি ঃ শহরের উত্তর প্রান্তে বোড় কিষনপুর নামক অঞ্চলে প্লেসি নামক এক ব্যাক্তি প্রথম একখণ্ড প্রায় ১০ আরপাঁ ( ফ্রান্সের জমির এক প্রকার মাপ,এক আরপাঁ প্রায় তিন বিঘার সমান ) জমি ৪০১ টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেন।
ফরাসি কোম্পানির প্রথম অধিনায়ক মঁসিয়ে দোলান্দ মোঘল বাদশাহ ঔরঙ্গজেবের কাছ থেকে ১৬৮৮ খ্রি ঃ ৪০০০ টাকা মুদ্রা বিনিময়ে চন্দননগরের কুঠি স্থাপন এবং তথাকার মালিকত্ব গ্রহন করেন ।
![]() |
| চন্দননগরে ফরাসি হোটেল । |
চন্দননগরের নামকরন - গঙ্গাবক্ষ থেকে ধনূকাকৃতি চাঁদের ন্যায় শহরের আকৃতি থাকায় চন্দ্র থেকে এর নাম চন্দননগর এবং তা ছাড়াও চন্দন কাঠের ব্যাবসার প্রচুরতা হওয়ায় চন্দননগর নামের উৎপত্তি হয় ।ইংরাজি ১৮৯৫ খ্রিঃ কবি বিপ্রদাস রচিত মনসা মঙ্গল ও কবিকঙ্কন চণ্ডী প্রভৄৃতিতে কোন কোন স্থানের উল্লেখ আছে তবে সমস্ত পল্লীকে একত্রিত করে চন্দননগর নাম প্রথম পাওয়া যায় ১৬৯৬ খ্রিঃ ২১ শে নভেম্বর এখানকার কতৃপক্ষ মারতিন,দোলান্দ, এবং পেলএ স্বাক্ষরিত তখনকার প্যারিস্থ ডিরেক্টরকে লিখিত এক পত্রে ।
![]() |
| চন্দননগর চার্চের স্কেচ |
চন্দননগরের প্রথম দূর্গ - ১৬৯৬-৯৭ খ্রিঃ চন্দননগরের সুপ্রসিদ্ধ্য আরলাঁ দূর্গের স্থাপনা হয় । ইহা মধ্যস্থলেই ছিল এবং হুগলীর ওলন্দাজ দূর্গ ও কলিকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গর থেকেও অধিক মজবুত ও জমকালো ছিল ।
ব্রিটিশদের চন্দননগর আক্রমন - ১৭৫৭ খ্রিঃ ইংরেজদের সাথে ফরাসিদের যুদ্ধ হয় এবং চন্দননগর ব্রিটিশদের হস্তগত হয় ।এবং লর্ড ক্লাইভ এর নির্দেশে লুটপাট স্থাপত্য ভাঙ্গার কাজ হয় এবং দূর্গের তলদেশ পর্যন্ত তুলেদেওয়ার আদেশ দেওয়া হয় ।
চন্দননগর পুনঃউদ্ধার - চন্দননগর ১৭৬৭ খ্রিঃ অবধি ব্রিটিশ দের অধিকারে থাকে এবং ইংল্যান্ডের ইতিহাসে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চন্দননগর ফরাসিরা পুনঃউদ্ধার করেন, এবং ১৯৫০ খ্রিঃ ২রা মে পর্যন্ত ফরাসিদের অধিকারে থাকে।
তথ্য- হুগলী জেলার ইতিহাস ও বঙ্গসমাজ ।
ছবি- সংগ্রহীত (pics collected)


0 comments:
Post a Comment