We are dedicated to all those people who change the world a better place instead of all challenges. This blog is a history based blog, here we talk about the historical facts, Historical persons life history, Culture& heritage of India, and their present-day situation. And only one thing we want to say you Rise Above Impossible.

Search This Blog

Tuesday, April 30, 2019

ভারতীয় রেল এর ইতিকথা


History of Indian Railways
ভারতীয় রেল এর ইতিকথা
ইংরেজ এসেছিল ভারতে ব্যবসা করতে ,পরে এরা শাসন এর নামে লুঠ শুরু করে এবং সেই লুণ্ঠিত দৌলত রানীর ভাঁড়ার এ  পৌঁছানর ব্রত নিয়ে ভারতীয় রেল এর সূচনা হয় ।

ভারতের প্রথম রেল- রেল এর প্রথম প্রস্তাব আসে ১৮৩২ খ্রিঃ , তবে অনেক টালবাহানার পর প্রথম রেল এর যাত্রা শুরু হয় ১৮৩৭ খ্রিঃ মাদ্রাস এর Red hills থেকে Chintadripet পর্যন্ত ।যদিও এই ট্রেনটি ছিল একটি পন্যবাহী গাড়ি ,১৮৩৭ থেকে ১৮৫২ পর্যন্ত যতগুলি রেলগাড়ি ছিল প্রত্যেকটি ছিল পন্যবাহী গাড়ি।যা পরিবহন করত আনাজ , সুতা ও গৃহনির্মাণ সামগ্রী।

প্রথম  প্যাসেঞ্জার রেল- ১৮৫৩ খ্রিঃ ১৬ এপ্রিল Bombay Boribandar থেকে Thane এর মধ্যে চলেছিল । ১৪ কোচ এর এই গাড়িকে ৩টি স্টিম ইঞ্জিন দ্বারা টানা হয় , যা ৩৪ কিমি রাস্তা পার করে ৪০০ জন যাত্রী নিয়ে।

পূর্ব ভারতের প্রথম রেল - ১৫ অগস্ট ১৮৫৪ খ্রিঃ Victoria Queen চলেছিল  হাওড়া থেকে হুগলী পর্যন্ত ,যা চালানো হয়েছিল East India Company এর তরফ থেকে।

দক্ষিন ভারতের প্রথম রেল - ১লা জুলাই ১৮৫৬ খ্রিঃ Roypuram Veyasarapady থেকে Wallajah road পর্যন্ত প্রথম প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি তার যাত্রা শুরু করে ।

প্রথম রেল ব্রিজ - ১৮৫৪ খ্রিঃ Bombay থেকে Thane রেলপাথকে বাড়ানো হয়  Kalyan অবধি , তাতেই প্রথম রেল ব্রিজ তৈরি হয় উল্লাস নদীর উপর যার নামকরন হয় Dapoorie Viaduct । এবং এই রেলপথে প্রথম রেল চলে ১৮৫৫ খ্রিঃ Fairy Queen যা চলছে এই ২০১৯ সালেও ।

প্রথম রেল কারখানা-  ১৮৫৬ খ্রিঃ Madras এর Peramhur এ স্থাপিত হয় ।

প্রথম আলো যুক্ত রেল কামরা - ১৮৯৭ খ্রিঃ যোধপুর রেলওয়েজ তাদের প্যাসেঞ্জার কামরায় আলোর বাতি ব্যাবহার করে।

রেলে প্রথম শৌচালয় - পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার শ্রী আখিলচন্দ্র সেন মহাশয় এর একটি চিঠির কারনে ১৯০৯  খ্রিঃ ব্রিটিশ সরকার শৌচালয় বসানোর সিধান্ত নেন এবং বসানো হয় একই বছরে ।

প্রথম ইলেক্ট্রিক চালিত ট্রেন - ১৯২৫ খ্রিঃ Victoria Terminus আজকের দিনে CST Mumbai থেকে Kurla পর্যন্ত প্রথম ইলেক্ট্রিক চালিত ট্রেন ্তার যাত্রা শুরু করে ।

প্রথম শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরা - ১৯৩৪ খ্রিঃ Frontier Mail এর কিছু কোচ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত করা হয় ,তবে কোনো AC মেশিন ছাড়াই কেবল বরফ দিয়ে কোচ এর শীততাপ নিয়ন্ত্রন করা হত।

যদিও কেবল লুণ্ঠিত দৌলত দেশে পাঠাবার উদ্দ্যেশে রেল এর স্থাপনা হলেও , প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে ভারতের সকল দিকে উন্নতি করেছে এবং আজকের ভারত এর সব কিছুই নির্ভর  করে এই রেল ব্যবস্থা এর উপর।

ছবি- সংগ্রিহীত 

Monday, April 22, 2019

ভিক্টোরিয়ার পরীর না ঘোরার পিছনের আসল সত্যটা কি?


ভিক্টোরিয়ার পরীর রহস্য
কলকাতার প্রানকেন্দ্র ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল,কিন্তু তার অনেকটা গৌরব নষ্ঠ হয়েছে তার পরীর না ঘোরার জন্য।তা এই পরী ঘুরছে নাইবা কেন? সে বিষয়ে একটু এক পরে আলোচনা হবে আগে জেনে নেওয়া যাক  ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর ব্যপার এ কিছু তথ্য।

তৈরি হতে কত সময় লেগেছিল ?- ১৫ বছর (১৯০৬- ১৯২১)

কবে কাজ সম্পূর্ন হয় ?- ১৯২১ খ্রিঃ

প্রধান স্থপতি ছিলেন-   উইলিয়াম এমারসন ।

মার্বেল এর ধরন সাদা মারাকানা মার্বেল ।

প্রধান আকর্ষণ - অ্যাঞ্জেল ওব ভিক্টরি ।

এবার জেনে নেওয়া যাক ভিক্টোরিয়ার পরীর ব্যপার এ কিছু তথ্য-
এটি একটি মূর্তি যা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর প্রধান গম্বুজ এর মধ্যিখানে অবস্থিত ।যা একটি Ball bearing দ্বারা পরিবেষ্ঠিত এবং হাওয়ার সাহায্যে ঘোরে।

পরীর আসল নাম - অ্যাঞ্জেল ওব ভিক্টরি

পরীর প্রধান উপকরন -  ব্রোঞ্জ

কোথায় তৈরী ? -  ইতালি

ওজন- ৬.৫ টন

উচ্চতা - ৫.৯ মিটার

এই পরীর যান্ত্রিক গোলযোগ এর কারনে এর আসল রুপটি নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ পরীর ঘোরা বন্ধ হয়ে যায়, যা প্রথম চোখে ধরা পরে ১৯৭৮ খ্রিঃ । বর্জবিদ্যুৎ এর প্রভাবে এর অনেকটা অংশ নষ্ট হয়ে যায়, এবং যখন রক্ষণাবেক্ষন ও পরিচর্যা শুরু হয় তখন দেখা  যায় যে পরীর নিচে দুটি পাত্রে থাকা পারদ যা পরীকে  বর্জবিদ্যুৎ এর প্রভাব থেকে রক্ষা করে তা অদ্ভুত ভাবে ভ্যানিশ হয়ে গেছে এবং Ball bearing খুবই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।কারন খুজে বের করার পর যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হয় কর্তীপক্ষের তরফ থেকে, এবং খুব তারাতারি ঠিক করে ফেলা হয়।কিন্তু একটি সমস্যা থেকেই যায় যে পরী ঘুরতে হাওয়ার বেগ লাগত ১৫ কিমি এখন তার প্রয়জন ২৫ কিমি.। তাই এখন একটি প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে কলিকাতাবাসি আবার কবে পরী কে ঘুরতে দেখবে ?

তথ্য- ইন্ডিয়াস্কোপ নিউজ (৩১/৩/১৯৮৫)

ছবি- সংগৃহীত

Friday, April 19, 2019

story behind Chittagong armory raid . চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন ।



৮৯ বছর আগের ঘটনা হলেও প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে চিরজীবন স্মরনীয় ঘটনা চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুন্ঠনমাস্টা্রদার নেতৄত্বে IRA বাহিনী ব্রিটিশ দের যে উচিত শিক্ষা দিয়েছিল তা গর্বের বিষয়।
গেম প্ল্যান ,ব্যাকআপ,Shadow practice সব শেষ এবার মাঠে নামার পালা.৬৫ জন বিপ্লবী নেমে পড়লেন ঐতিহাসিক একটি মিশনে।
                        
চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের নায়কেরা

                       প্রথম পর্ব
১৮ এপ্রিল ১৯৩০ রাত দশটায় চট্টগ্রামের ধুম স্টেশনের কাছে রেললাইন এর ফিসপ্লেট খুলে দিয়ে একটি মালগাড়িকে লাইনচূত করে সংযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করা হল।
    দ্বিতীয় পর্ব
এবার বাইরের সাথে সংযোগ বন্ধ করতে হবে।আরেকটি দল চলল টেলিফোন এবং টেলেগ্রাফ অফিস এ,বন্ধ হল যোগাযোগ ব্যবস্থা ।এবার সকলে একত্রিত হয়ে এগিয়ে চলল তাদের আসল লক্ষে।
   তৄতীয় পর্ব
সামরিক বাহিনীর ভেকধরে পাহারাদারদের বোকা বানিয়ে পরপর দুটি লোহার দরজা ভেঙ্গে ঢোকা হল অস্ত্রাগারে , তারপর লোপাটের পালা শুরু একের পর এক রিফফেল এবং লুইস গান।কিন্তু হায় এতকিছুতে মাথা ঠিক থাকে? ব্রিটিশরা আগেভাগেই বুদ্ধী করে গোলা বারুদ অন্য জায়গায় সরিয়ে রেখেছিল।এখনত কার্তুজ ছাড়া এসব অচল ,নতুন করে খোঁজা সুরু হল কার্তুজ। ওদিকে
   চতুর্থ পর্ব
মাস্টারদা পতাকা তোলার সঙ্গেসঙ্গে চারিদিকে “ইনক্লাব জিন্দাবাদ” আর “বন্দেমাতরম” ধ্বণীতে চারিদিক র্গজে উঠেছে শুরু হল এক নূতণ অধ্যায় এর।স্থাপিত হল অস্থায়ী সরকার এর।এবং অন্যদিকে বিপ্লবী জেনারেল লোকনাথ বল এর আদেশ এ আগুন লাগানো হল অস্ত্রাগারে।এরপর
                      পঞ্চম পর্ব
এবার সময় হয়েছে জালিয়ানওয়ালাবাগের বদলা নেবার।একটি দল চলল ইউরপিয়ান ক্লাব এর দিকে যেখানে সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মীদের বাসস্থান, হামলা তাদের উপরও ছল্ল।এতক্ষনে পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী একজোট হয়ে বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে বন্ধুক গর্জে্ তুলেছে।
                       অন্তিম পর্ব  
এখন সময় হয়েছে ফেরার , যেযার মতো অন্ধকারে লুকিয়ে পরে বিভিন্ন যায়গা থেকে আওয়াজ করে ইংরেজ বাহিনীকে বোকা বানিয়ে পালিয়ে আসে।

ঢালহীন তরোয়ালহীন নিধিরাম সর্দার নাকি রক্তঝরানো বলীদান দেওয়া বিপ্লবীরা এনেছিল তানিয়ে রাজনী্তিবিদে্র মধ্যে ধন্দ থাকলেও মানুষের মনে নেই।তারা জানে এই সূর্য সেন দের মতো মানুষরাই এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা।

হে বীরযোদ্ধা তোমাদের জানাই সহস্রকোটি প্রনাম।



Wednesday, April 10, 2019

হারিয়ে যাচ্ছে হাওড়া ব্রিজের গরিমা



হারিয়ে যাচ্ছে পুরনো দিনগুলি ।পুরনো গাড়ি, পুরনো ঐতিহ্য, নতুনত্ব গ্রাস করেছে তার পুরনো মায়া।সভ্যতা মুছে দিচ্ছে তার ফেলে আসা দিনগুলি।



ভারতবর্ষ বলতে দুটো কথা সবসময় মাথায় আসে ১ তাজমহল ও ২ হাওড়া ব্রিজ , দুই এরই গরিমা ঝড়ে পরছে।তবে আজকের আলোচনা হাওড়া ব্রিজ নিয়ে । এই স্বপ্নের সেতুর স্বপ্ন দেখা শুরু হয় ১৮৫৫ সালে , ব্রিটিশ শাষিত ভারত সরকার এর পূর্ব রেল এর মূখ্য ইঞ্জিনীয়ার র্জজ টার্নবুল এর সুদুর প্রসারি ভাবনায়।এই ভাবনা রুপান্তরিত করার জন্য অনেক কাঠ খড় পোড়ানোর প্রয়োজন তিনি অনুভব করেন।তার কিছু মূখ্য কারন হল হুগলি নদী এর উপর ব্রিজ বানানো খুবই খরচ সাপেক্ষ এবং নদীর স্রোতের প্র্তিকুলে স্তম্ভ বানানো ভয়াবহ ও বটে।

এই কথা মাথায় রেখে ১৮৭০ সালে কলিকাতা পোর্ট ট্রাস্ট এর জন্ম এবং ১৮৭১ সালে তার অনুমোদন প্রাপ্তি এবং ভিত্তিপ্রস্থ স্থাপন এক বড় সাফল্য । কিন্তু ঝড় ঝাপ্টা না সহ্য না করলে সাফল্য মেলে ? এই ক্ষেত্রেও তাই ১৮৭৪ সালে এক সাইক্লোন ঝড় এ প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয় কিন্তু মজার ব্যাপার সেই বছর এর ১৭ অক্টোবর মাসে উদ্ধবোদন হয় পন্টুন ব্রিজ এর যার দৈর্ঘ ছিল ১৫২৮ ফুট লম্বা এবং
প্রস্থ ছিল ৬২ ফুট ।
কিন্তু  বড়ো জাহাজ পারাপার করা ছিল খুবই ঝুঁকিপর্ন, তাই আবার নূতন ছক কষা শুরু এবং বড় ব্রিজ এর পরিকল্পনা করা হই ১৯০৬ সালে। কিন্তু এটি খুবই খরচ সাপেক্ষ তাই অনেক টালবাহানার পর অবশেষে প্ল্যানিং কমিশন বসে কিন্তু বিশ্বযুদ্ধ এর কারনে শেষমেষ ১৯৩৬ খ্রিঃ এ এর অনুমদোন দেওয়া হয়।বিশ্বের প্রথম আকরিক লোহার ঝুলন্ত  সেতু বানানো শুরু হয়  Braithwaite, Burn & Jessop Construction এর দ্বারা । সেতুর কাজ সম্পূর্ন হয় ১৯৪২ খ্রিঃ এ , এবং উদ্ধবোধন হয় নবনির্মীত হাওড়া বিজ এর।

কাঠের সেতু থেকে পুরোদস্তুর একটি আকরিক লোহার দানব , গরুর গাড়ী থেকে ইলেক্ট্রিক গাড়ী, সবই ছুটেছে সময়ের অন্তরালে পরিবর্তিত হয়েছ সব কিছুই হয়নী কেবল দুটি জিনিষ এর সয়ং ব্রিজ এবং মানুষের সারির।দৈনিক ৩,০০,০০০ গাড়ীর ধোঁয়া এবং ৪৫,০০,০০০ মানুষর দাপাদাপি , বিধির সর্তকতাকে থোড়াই কেয়ার।নূতন কেবল পুরনোকে মুছেই দেয় না নষ্ঠও করছে শেষ করছে তার ঐতিহ্যকে আর উপরি হিসাবে দিচ্ছে আর্বজনার স্তূপ।এটাই কি সভ্যতা?