We are dedicated to all those people who change the world a better place instead of all challenges. This blog is a history based blog, here we talk about the historical facts, Historical persons life history, Culture& heritage of India, and their present-day situation. And only one thing we want to say you Rise Above Impossible.

Search This Blog

Friday, April 19, 2019

story behind Chittagong armory raid . চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন ।



৮৯ বছর আগের ঘটনা হলেও প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে চিরজীবন স্মরনীয় ঘটনা চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুন্ঠনমাস্টা্রদার নেতৄত্বে IRA বাহিনী ব্রিটিশ দের যে উচিত শিক্ষা দিয়েছিল তা গর্বের বিষয়।
গেম প্ল্যান ,ব্যাকআপ,Shadow practice সব শেষ এবার মাঠে নামার পালা.৬৫ জন বিপ্লবী নেমে পড়লেন ঐতিহাসিক একটি মিশনে।
                        
চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের নায়কেরা

                       প্রথম পর্ব
১৮ এপ্রিল ১৯৩০ রাত দশটায় চট্টগ্রামের ধুম স্টেশনের কাছে রেললাইন এর ফিসপ্লেট খুলে দিয়ে একটি মালগাড়িকে লাইনচূত করে সংযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করা হল।
    দ্বিতীয় পর্ব
এবার বাইরের সাথে সংযোগ বন্ধ করতে হবে।আরেকটি দল চলল টেলিফোন এবং টেলেগ্রাফ অফিস এ,বন্ধ হল যোগাযোগ ব্যবস্থা ।এবার সকলে একত্রিত হয়ে এগিয়ে চলল তাদের আসল লক্ষে।
   তৄতীয় পর্ব
সামরিক বাহিনীর ভেকধরে পাহারাদারদের বোকা বানিয়ে পরপর দুটি লোহার দরজা ভেঙ্গে ঢোকা হল অস্ত্রাগারে , তারপর লোপাটের পালা শুরু একের পর এক রিফফেল এবং লুইস গান।কিন্তু হায় এতকিছুতে মাথা ঠিক থাকে? ব্রিটিশরা আগেভাগেই বুদ্ধী করে গোলা বারুদ অন্য জায়গায় সরিয়ে রেখেছিল।এখনত কার্তুজ ছাড়া এসব অচল ,নতুন করে খোঁজা সুরু হল কার্তুজ। ওদিকে
   চতুর্থ পর্ব
মাস্টারদা পতাকা তোলার সঙ্গেসঙ্গে চারিদিকে “ইনক্লাব জিন্দাবাদ” আর “বন্দেমাতরম” ধ্বণীতে চারিদিক র্গজে উঠেছে শুরু হল এক নূতণ অধ্যায় এর।স্থাপিত হল অস্থায়ী সরকার এর।এবং অন্যদিকে বিপ্লবী জেনারেল লোকনাথ বল এর আদেশ এ আগুন লাগানো হল অস্ত্রাগারে।এরপর
                      পঞ্চম পর্ব
এবার সময় হয়েছে জালিয়ানওয়ালাবাগের বদলা নেবার।একটি দল চলল ইউরপিয়ান ক্লাব এর দিকে যেখানে সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মীদের বাসস্থান, হামলা তাদের উপরও ছল্ল।এতক্ষনে পুলিশ এবং সামরিক বাহিনী একজোট হয়ে বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে বন্ধুক গর্জে্ তুলেছে।
                       অন্তিম পর্ব  
এখন সময় হয়েছে ফেরার , যেযার মতো অন্ধকারে লুকিয়ে পরে বিভিন্ন যায়গা থেকে আওয়াজ করে ইংরেজ বাহিনীকে বোকা বানিয়ে পালিয়ে আসে।

ঢালহীন তরোয়ালহীন নিধিরাম সর্দার নাকি রক্তঝরানো বলীদান দেওয়া বিপ্লবীরা এনেছিল তানিয়ে রাজনী্তিবিদে্র মধ্যে ধন্দ থাকলেও মানুষের মনে নেই।তারা জানে এই সূর্য সেন দের মতো মানুষরাই এনেছেন আমাদের স্বাধীনতা।

হে বীরযোদ্ধা তোমাদের জানাই সহস্রকোটি প্রনাম।



0 comments:

Post a Comment